“৫৫ একরের নতুন সুর: নবীন চোখে আগামীর স্বপ্ন”
অচেনা মুখ, নতুন পরিবেশ আর এক বুক কৌতূহল-বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম দিন মানেই এক মিশ্র আবেগের ক্যানভাস। ভর্তি যুদ্ধ অতিক্রম করে অবশেষে গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সবুজ আঙিনায় থিতু হয়েছে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের একঝাঁক নতুন মুখ। সেন্ট্রাল লাইব্রেরির কদমগাছ আর ক্যাফেটেরিয়ার চিরচেনা আড্ডাগুলো যেন নবীনদের পদচারণায় আজ নতুন প্রাণ ফিরে পেয়েছে। ঘর ছেড়ে বহু দূরে এসেও জ্যেষ্ঠদের সহমর্মিতা আর শিক্ষকদের শিক্ষকসুলভ অভিভাবকত্বে এই ৫৫ একরকে আপন করে নিতে সময় লাগেনি তাদের। শুধু অ্যাকাডেমিক পড়াশোনা নয়, খেলাধুলা, মুক্তচিন্তা ও উদ্ভাবনী পরিবেশের মধ্য দিয়ে নিজেদের বিকশিত করতে চায় এই নতুন প্রজন্ম। শত সংকট পেরিয়ে এই প্রিয় ক্যাম্পাসটিকেই তারা বিশ্বমঞ্চে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার স্বপ্ন বুুনছে। নবীন শিক্ষার্থীদের মনের সেই ভালো লাগা, পাওয়া-না পাওয়া ও আগামীর প্রত্যাশার কথা তুলে ধরেছেন গোবিপ্রবির অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থী মোঃ তায়ীম খান।
“নবীনদের পদচারণায় মুখরিত ৫৫ একর”
দক্ষিণ বঙ্গের অন্যতম একটি বিদ্যাপীঠ গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়। বিশ্ববিদ্যালয় হলো জ্ঞান চর্চার উন্মুক্ত উদ্যান এখানে শুধুই পাঠ্যবইয়ের মধ্যে জ্ঞান সীমাবদ্ধ থাকেনা।ভর্তি পরীক্ষা যুদ্ধের নির্মম এ সাদা-কালো অধ্যায়কে অতিক্রম করে আজ আমরা প্রিয় ৫৫ একরের রঙিন আঙিনায়।সবুজে ঘেরা এ ৫৫ একরের শিক্ষাঙ্গনটি নিয়ে হাজারো শিক্ষার্থী স্বপ্নবোনা, রয়েছে আবেগ ও ভালোবাসা।এমন স্বপ্নসারথীদের মাঝে আমিও ব্যতিক্রম নই।জীবনের নতুন এক অধ্যায়ে প্রবেশ করেছি মনে শত কৌতুহল ও উচ্ছ্বাস নিয়ে। বিশ্ববিদ্যালয় নবীনদের আগমনে ফিরে পেয়েছে নতুন প্রাণ, যেনো উৎসব লেগেছে ৫৫একরে। তাইতো নবীনদের বরণ করতে কেন্দ্রীয় লাইব্রেরীর কদম গাছটা তার ফুলের সৌরভে মুখোরিত করছে,নবীনদের দেখেই যেনো হাসছে ক্যালিফোর্নিয়া রোডের সেই ভৃঙ্গরাজ ফুলটি, গান শোনাচ্ছে কফি হাউজের পাশে বসে থাকা চড়ুইপাখি গুলো,বাতাসে ঢেউ তুলে নৃত্য করছে লেকের পানি।বন্ধুর সাথে ক্যাফেটেরিয়ার ধোঁয়া উড়া চায়ের কাপের সাথে যেনো উড়ে যায় সকল ক্লান্তি। কেন্দ্রীয় মাঠের নরম দূর্বাঘাসের ওপর বসে রচিত হচ্ছে নতুন নতুন স্বপ্ন। আর হলুদ বাতির নিচে বই খুলে তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে কালো শব্দগুলোর দিকে ঝুকে আছে জ্ঞান পিপাসুরা। প্রিয় ক্যাম্পাসের এমন সব চিত্র দেখে আমি বিমোহীত। নবীন শিক্ষার্থীরা আজ হয়তো পুষ্পমুকুল তবে সময়ের ধারাবাহিতায় তারা ফুটে উঠবে পূর্ণাঙ্গ পুষ্পে।তার সৌরভে সুরভিত করবে দেশও জাতিকে।এটা আমার একান্ত প্রত্যাশা। এরই মাঝে কংক্রিটের ভবন, নির্জীব শ্রেণিকক্ষ,উত্তপ্ত দুপুরের রোদে পোড়া রাস্তা,হিমেল হাওয়ায় মুখরিত করিডোর, বন্ধুদের সাথে চায়ের আড্ডায় তৈরি হবে হাজারো স্মৃতি। মানুষের জীবনে সুযোগব্যয়টি অতোপ্রতোভাবে জড়িত।মানুষ একসাথে সবকিছু কখনোই লাভ করতে পারেনা। তাই সব পাওয়া না পাওয়া নিয়ে আমার প্রিয় ৫৫ একর আমার কাছে অন্যতম।বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম দিনটি নবীনদের জন্য বিশেষ একটি দিন। যেখানে থাকে কৌতুহল,নতুন পরিবেশ, অপরিচিত মখ,সংকোচ বোধ সব কিছু মিলে জড় হয় ভীতি , জড়তা।তবে এগুলো আমি কাটিয়ে উঠেছি শ্রদ্ধেয় শিক্ষক মণ্ডলীদের বন্ধুসুলভ আচরণ,তাদের দেওয়া দিকনির্দেশনা,ক্যাম্পাসের বড় ভাই-বোনেদের সৌহার্দ পূর্ণ আচরণ, শাসন-ভালোবাসা,সহপাঠীদের সঙ্গও তাদের সহযোগী মনোভাবের মাধ্যমে।এমন শিক্ষার্থীবান্ধব পরিবেশ আমাকে আকৃষ্ট করছে বার বার। এটা যেনো আমার আরেকটি পরিবার। জীবনের সব থেকে সুন্দর পরিচয়ের মধ্যে একটি হলো আমি একজন শিক্ষার্থী। আর এই ৫৫ একরের সাথে নিজের নতুন পরিচিতি তৈরি করে আমি গর্বিত। জি জে বেইলি বলেছেন "শিক্ষিত জাতিই নিঁখুত গণতন্ত্রের সুন্দর লজ্জামুক্ত জিনিস উপহার দিতে পারে"।তাই আমরা আশাবাদী আমাদের বিজ্ঞ শিক্ষক মণ্ডলীরা আমাদের সার্বিক বিকাশে সর্বদা সহযোগিতা করবেন।
অনুভূতি প্রকাশের অন্তিম পর্যায়ে আমি বলতে চাই,ছোট্ট এই ক্যাম্পাসটি আমার সংক্ষিপ্ত জীবনের অন্যতম সুন্দর স্মৃতি হয়ে থাকবে আমৃত্যু।
জান্নাতুল ফেরদৌস
অর্থনীতি বিভাগ
সেশন: ২০২৫-২৬
৫৫ একরে আমার পদচারণা
প্রথম পা রাখতেই হৃদয়ে নতুন এক আশার সুর জেগে ওঠে। গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের এই সবুজ পরিবেশে ঢুকলে মনের মধ্যে উঁকি দেয় বিশাল এক সম্ভাবনাময় ভবিষ্যত । ক্লাসরুম, লাইব্রেরি, মুক্ত মঞ্চ , কফি হাউজ আর ক্যাম্পাস — সবকিছু নতুন সম্ভাবনাময় ভবিষ্যতের গল্প বলছে। প্রথম দিকে ভয় ও অনিশ্চয়তা একটু থাকলেও সিনিয়রদের সহায়তা, সহপাঠীদের হাসি এবং ছাত্ররাজনীতির কালো থাবা মুক্ত গতিশীলতা দ্রুত অচেনা পরিবেশকে পরিচিত করে তোলে। বিশেষ করে সিনিয়ররা যখন নিজেকে থেকে এসে আমাদের খেলাধুলার জন্য ডেকে নিয়ে যায়, আমাদের যেকোনো সমস্যাকে তারা যখন নিজেদের সমস্যা মনে করে সমাধানের চেষ্টা করে তখন পরিবেশটা অনেক অনেক বেশি আপন মনে হয়।
শিক্ষাজীবনে আমি আমার শিক্ষকদের থেকে উচ্চতর শিক্ষাদানের প্রত্যাশা রাখি এবং শিক্ষকদের থেকে বন্ধুত্বসুলভ পরিবেশে পাড়াশোনা পরিচালনা করার সুযোগ চাই। তাদের দক্ষ পাঠদানের মাধ্যমে আমাদের মানসিকতা বিকাশিত হবে এই আশা ব্যক্ত করি । পড়াশোনার পাশাপাশি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান,খেলাধুলা ও বিতর্ক প্রতিযোগিতার আয়োজন করলে আমাদের মানসিকতা বিকাশের বেশি সুযোগ পাবে। অবকাঠামোতে একটু উন্নতি হলে ক্যাম্পাসই হবে আমাদের পরিপূর্ণ পরিবার।
ব্যক্তিগতভাবে, আমি চাই বিশ্ববিদ্যালয় আমাকে শুধু ডিগ্রি না দিয়ে চিন্তাশক্তি, বিশ্লেষণ ক্ষমতা ও ভালো মানুষ হওয়র শিক্ষা দিক। আমাদের গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে যেসব সংকট আছে তা পূরণ করা হোক। আমাদের শতভাগ আবাসনের ব্যবস্থা করা হোক । আমার বিশেষ দাবি পরিচ্ছন্ন ৫৫ একর কারণ পরিচ্ছন্নতা মানসিকতা বিকাশের সহায়ক। ছাত্রাবাসের খাবারের মান একটু উন্নত করা হোক।এখানকার বন্ধুত্ব, প্রতিযোগিতা, নেটওয়ার্কের ও অভিজ্ঞতার মাধ্যমে নতুন দিনের যাত্রা শুরু করাই এখন প্রধান প্রত্যাশা। এই ৫৫ একরে আমাদের স্বপ্নেরা বড় হবে, লেখা-চর্চা ও জনসেবার মাধ্যমে দেশের উন্নয়নে ভূমিকা রাখবো-ইনশাল্লাহ ! এমন স্বপ্ন নিয়েই আমরা সামনে এগিয়ে যেতে চাই।
নাম: মোঃ ইমামুল হাসান আহাদ
বাংলা বিভাগ,
শিক্ষাবর্ষ: ২০২৫-২০২৬
“নবীনদের পদচারণায় মুখরিত ৫৫ একর”
৫৫ একর লালসবুজের ক্যাম্পাসে আমার নতুন স্বপ্ন শুরু
গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স পাওয়ার খবরটা যেদিন প্রথম শুনেছিলাম, সেই মুহূর্তটা এখনো মনে পড়ে। রেজাল্ট শিটে নিজের নাম দেখে প্রথমে বিশ্বাসই হচ্ছিল না। বারবার স্ক্রিনে চোখ বুলিয়ে নিশ্চিত হচ্ছিলাম, সত্যিই কি আমি পেরেছি? এতদিনের রাত জেগে পড়াশোনা, পরিবারের প্রত্যাশার চাপ, আর নিজের ভেতরে জমে থাকা অনিশ্চয়তা—সব একসাথে যেন একটি স্বস্তির নিঃশ্বাসে মিশে গেল। মা যখন এই খবর শুনে চোখের পানি মুছছিলেন, তখন বুঝলাম এই অর্জনটা শুধু আমার নয়, পুরো পরিবারের।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৫ একরের বিশাল সবুজ ক্যাম্পাসের কথা যখন প্রথম শুনি, তখন মনে একধরনের রোমাঞ্চ কাজ করছিল। ছবিতে দেখা খোলা মাঠ, গাছপালায় ঘেরা একাডেমিক ভবন, লেকের পাশে বসে আড্ডা দেওয়ার দৃশ্য-এসব চিন্তা করেই মনটা ভরে যাচ্ছিল। স্কুল-কলেজের গণ্ডি পেরিয়ে এমন একটি মুক্ত পরিবেশে পা রাখার অনুভূতিটা আসলে ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন। একদিকে নতুন পরিবেশ, নতুন মানুষ, নতুন জীবনধারার প্রতি কৌতূহল, অন্যদিকে পুরনো স্কুল-কলেজ, বন্ধুবান্ধব ছেড়ে আসার এক ধরনের মন খারাপও কাজ করছিল। এই দুই অনুভূতির মিশেলই বোধ হয় নবীন শিক্ষার্থীর জীবনের আসল রূপ।
ভবিষ্যতের কথা ভাবলে অনেক প্রত্যাশা জমা হয় মনে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার মান আরও ভালো হোক, গবেষণার সুযোগ বাড়ুক, লাইব্রেরি ও ল্যাবগুলো আধুনিক প্রযুক্তিতে সমৃদ্ধ হোক। আমি রাষ্ট্রবিজ্ঞানের ছাত্র হলেও প্রযুক্তি আর কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে আমার বেশ আগ্রহ আছে। তাই চাই ক্যাম্পাসে এমন কিছু কর্মশালা বা ক্লাব থাকুক, যেখানে ভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা নতুন প্রযুক্তি নিয়ে শিখতে পারে। আবাসন, পরিবহন আর মানসম্মত খাবারের ব্যবস্থাও যেন আরও ভালো হয়, যাতে দূর থেকে আসা শিক্ষার্থীরা স্বস্তিতে থাকতে পারে।
সবশেষে বলব, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি প্রতিষ্ঠান নয়, এটা এখন আমার নতুন পরিচয়ের অংশ। আশা করি এখানে কাটানো দিনগুলো আমাকে জ্ঞান, মূল্যবোধ আর আত্মবিশ্বাসে পরিণত একজন মানুষ হতে সাহায্য করবে।
মোঃ আসাদুজ্জামান রকি
রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ
শিক্ষাবর্ষ: ২০২৫-২০২৬
আকাশ যেখানে থমকে যায়
মানুষের জীবন হয়তো কিছুটা বিশ্বাস, কিছুটা কল্পনা এবং কিছুটা আশার । কিছু রাত মানুষের জীবনে যেমন দুশ্চিন্তা, হতাশা কিংবা হীনমন্যতার জানান দেয় , তেমনি কিছু সকাল সে সব অন্ধকারকে দূরে ঠেলে এক মুঠো রোদ্দুর এনে দেয় আমাদের জীবনে।চির সবুজ ৫৫ একর আমার গোবিপ্রবি ।
এ আমার কাছে এক স্বপ্ন , ভালোবাসা আর তীব্র চাওয়ার নাম । এখানেই আমার আকাশ থমকে যায় , বিকেলের তীব্র হাওয়া বলে এই তো আমি। সারি সারি দৃষ্টিনন্দন প্রাকৃতিক সৌন্দর্য সকলের মন কাড়ে । লেক পাড় যেনো শান্ত হাওয়ার হাজারটা দিনের কাব্য রচনা করে , সন্ধ্যের আলোই হালকা বাতাসে লেকের পানিও যেনো ঝলমল করে ! সেখানে গেলেই দেখা মেলে ভৃঙ্গরাজের । সে যেনো এক গাঢ় সবুজের বুকে হলুদের ছোঁয়া । পাশেই দুটো বড় ফিল্ড । বিকেল হলেই এই দুটি মাঠ খেলায় মুখরিত থাকে। মজার বিষয় মাঠের পাশে জমা সেই অল্প পানিতে মাছের দেখা মেলে।
একাডেমিক বিল্ডিং এর প্রতিটি তলা এক একটি কবিতা , গল্প কিংবা উপন্যাস এর চেয়ে কম কিছু না বরং কিছুটা বেশি। প্রত্যেকটা ক্লাস রুম আমাদের শিক্ষক এবং বড় ভাই , আপু সহ আমাদের সকলের হাজারটা স্মৃতি ও পারস্পরিক বন্ধনের সাক্ষী। এখানে ব্যাচমেটদের এবং সিনিয়র- জুনিয়রদের মাঝের পারস্পরিক সহযোগীতা এবং সহমর্মিতার মনোভাব খুবই আকর্ষণীয়।
অচেনা জায়গায় অচেনা মানুষের ভীড়ে , নিজের সেই ছোট্ট কম্ফোর্টজোন থেকে প্রায় ৩৬৫ কিলোমিটার দূরে এসে নিজেকে অসহায় মনে হয়নি বরং বড় ভাই আপুরা এসময় আমাদের পাশে দাঁড়িয়েছেন । আমাদের যতটা সহযোগীতা করা সম্ভব তারা তাদের সর্বোচ্চটা দিয়ে চেষ্টা করেছেন । আমি কৃতজ্ঞ সেই সকল বড় ভাই আপুদের কাছে যারা আমাকে এই অচেনা শহরে তাদের নিজেদের ছোট বোনের মতো সহযোগীতা করেছেন এবং করে চলেছেন।
আমি আমার এই ৫৫ একরের প্রতি যেমন আশাবাদী ঠিক তেমনই আমার ক্যাম্পাসের আরো উন্নতির প্রত্যাশী। আমাদের এই ৫৫একর থেকে বড় ভাই আপুরা বিভিন্ন সেক্টরে নিজেদের প্রমাণ করে চলেছেন । আমাদের শিক্ষকদের অনুপ্রেরণা এবং শিক্ষার্থীদের চেষ্টায় এমনটা সম্ভব হচ্ছে বলে আমি মনে করি । আমি আশাবাদী ভবিষ্যতে আমাদের শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীদের যৌথ চেষ্টায় একদিন আমরা এই ৫৫ একর সেরাদের সেরা কাতারে অবস্থান করবো ইনশাআল্লাহ।
মোছাঃ ফারজানা ইয়াসমিন ফাল্গুনী
আর্কিটেকচার ,
শিক্ষাবর্ষ: ২০২৫-২৬