মানুষের কল্যাণে নিবেদিত এক তরুণের নাম জুয়েল হোসেন সাদ্দাম
মো: আল-মাহফুজ শাওন:
রাজনীতির মূল উদ্দেশ্য হলো দেশ ও দেশের মানুষের কল্যাণে কাজ করা। মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে দাঁড়িয়ে সমাজকে এগিয়ে নেওয়াই প্রকৃত রাজনৈতিক চর্চার পরিচয়। সেই আদর্শকে ধারণ করে নীরবে মানুষের সেবা করে চলেছেন খুলনার তরুণ যুবনেতা ও ব্যবসায়ী জুয়েল হোসেন সাদ্দাম।
শিল্পনগরী খুলনার পরিচিত এই তরুণ প্রচারবিমুখ একজন সমাজসেবক। তিনি নিজের ভালো কাজের প্রচারণা চান না; বরং মানুষের উপকার করাকেই জীবনের প্রধান লক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ করেছেন। ব্যক্তিগত ও পেশাগত ব্যস্ততার মধ্যেও অসহায়, বিপদগ্রস্ত ও হতাশ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে যাচ্ছেন প্রতিনিয়ত।
স্থানীয়দের ভাষ্য, এলাকার কেউ অসুস্থ হলে, কোনো পরিবার আর্থিক বা সামাজিক সংকটে পড়লে কিংবা অন্য যেকোনো সমস্যায় জুয়েল হোসেন সাদ্দামের শরণাপন্ন হলে তিনি নিজের সামর্থ্যের সর্বোচ্চ দিয়ে সমস্যার সমাধানের চেষ্টা করেন। মানুষের মুখে হাসি ফোটানোই যেন তাঁর একমাত্র তৃপ্তি।
পেশায় একজন ব্যবসায়ী হলেও মানবসেবাই তাঁর নেশা। সততা, আন্তরিকতা ও নৈতিকতার সঙ্গে সমাজের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে নিজেকে সম্পৃক্ত রেখেছেন তিনি। ধর্ম, বর্ণ বা রাজনৈতিক মতাদর্শের ভেদাভেদ না করে সবার পাশে দাঁড়ানোর মানসিকতা তাঁকে সাধারণ মানুষের কাছে আরও গ্রহণযোগ্য করে তুলেছে।
শিশু থেকে শুরু করে তরুণ, প্রবীণ—সব শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছে তিনি একজন আস্থার প্রতীক। তাঁর বিনয়ী আচরণ, মিষ্টভাষিতা ও মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি পরিচিতজনদের মুগ্ধ করেছে। অনেকেই তাঁকে সমাজের একটি ইতিবাচক পরিবর্তনের প্রতীক হিসেবে দেখেন।
স্থানীয়দের মতে, মানুষের কল্যাণে নিরলসভাবে কাজ করে যাওয়ার কারণেই দিন দিন তাঁর জনপ্রিয়তা বাড়ছে। তিনি বিশ্বাস করেন, মানুষের দোয়া ও ভালোবাসাই একজন মানুষের সবচেয়ে বড় সম্পদ। তাই দুনিয়া ও আখিরাতে নিজের ও পরিবারের কল্যাণ কামনায় তিনি মানবসেবাকে ইবাদতের অংশ হিসেবে গ্রহণ করেছেন।
নিজের স্বার্থের আগে মানুষের স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে জুয়েল হোসেন সাদ্দাম নিরলসভাবে কাজ করে চলেছেন। তাঁর এই মানবিক উদ্যোগ সমাজের অন্যদেরও অনুপ্রাণিত করবে বলে মনে করছেন এলাকাবাসী।