উন্নত চিকিৎসার অভাবে মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছে টেকনাফের স্কুলছাত্র জুনায়েদ, সহায়তার আবেদন
মোহাম্মদ হোসাইন, টেকনাফ, কক্সবাজার:
কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের মিনাবাজার-ঝিমংখালী সংলগ্ন টেকপাড়া আশ্রয়ণ প্রকল্পের এক স্কুলপড়ুয়া শিক্ষার্থী দীর্ঘ দেড় মাস ধরে সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয়ে উন্নত চিকিৎসার অভাবে মানবেতর জীবনযাপন করছে। পরিবারের আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে প্রয়োজনীয় অস্ত্রোপচার করাতে না পারায় শিশুটির শারীরিক অবস্থা দিন দিন অবনতির দিকে যাচ্ছে।
আহত শিক্ষার্থীর নাম মোহাম্মদ জুনায়েদ (১২)। তিনি মোহাম্মদ মোজাহের মিয়া (৪২) ও মমতাজ বেগমের (৩৫) ছেলে। পরিবারের বসবাস টেকপাড়া আশ্রয়ণ প্রকল্প, ঝিমংখালী, ৬ নম্বর ওয়ার্ডে।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত ১৭ জুন ২০২৬ সন্ধ্যা প্রায় ৭টার দিকে বাড়ি থেকে মিনাবাজারের উদ্দেশ্যে বের হলে টেকপাড়া এলাকায় টেকনাফ থেকে কক্সবাজারগামী একটি দ্রুতগতির সিএনজিচালিত অটোরিকশা তাকে ধাক্কা দেয়। দুর্ঘটনায় তার একটি পা গুরুতরভাবে ভেঙে যায়।স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে প্রথমে কক্সবাজারের আল-ফুয়াদ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে অর্থোপেডিক সার্জন ডা. এ.কে.এম. হারুন অর রশিদ প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করেন। পরে বাড়িতে ফিরে চিকিৎসা চললেও প্রয়োজনীয় অস্ত্রোপচার না হওয়ায় তার ভাঙা পা জোড়া লাগেনি। একপর্যায়ে ক্ষতস্থানে সংক্রমণ দেখা দেয় এবং পচন ধরতে শুরু করে।পরে প্রতিবেশীদের সহযোগিতায় কিছু অর্থ সংগ্রহ করে তাকে আবার হাসপাতালে নেওয়া হলে নতুন করে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর চিকিৎসকরা দ্রুত অস্ত্রোপচারের পরামর্শ দেন। তবে অপারেশনের ব্যয় বহন করার সামর্থ্য না থাকায় পরিবারটি চিকিৎসা চালিয়ে যেতে পারছে না।জুনায়েদের অসহায় পিতা মোজাহের মিয়া জানান, তিনি দিনমজুর। সংসার চালাতেই হিমশিম খেতে হয়। ছেলের চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ জোগাড় করা তার পক্ষে সম্ভব নয়। তাই সমাজের বিত্তবান ও মানবিক মানুষের সহযোগিতা কামনা করেছেন তিনি।প্রতিবেশী শামসুল আলম বলেন, সময়মতো উন্নত চিকিৎসা না হলে শিশুটির পা স্থায়ীভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই তিনি সমাজের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছে জুনায়েদের চিকিৎসায় এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
সহযোগিতা পাঠানোর মাধ্যম:
বিকাশ: 01898821363 (মোজাহের মিয়া)
যোগাযোগ: প্রতিবেশী শামসুল আলম
নগদ: 01864372956
পরিবারের একটাই আকুতি—সবার সামান্য সহযোগিতায় যেন আবারও স্বাভাবিক জীবনে ফিরে এসে স্কুলে যেতে পারে ছোট্ট শিক্ষার্থী মোহাম্মদ জুনায়েদ।