শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সারাদেশ

ইবি শিক্ষার্থীদের স্মৃতিতে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান

অনলাইন ডেস্ক ০৯ July ২০২৬ · Thursday · ০৯:১৯ অপরাহ্ণ
ইবি শিক্ষার্থীদের স্মৃতিতে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান

মো. জাহিদ হাসান:

বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ কর্তৃক ২০১৮ সালের ৪ অক্টোবর বাংলাদেশ সরকারের জারিকৃত পরিপত্রকে অবৈধ ঘোষণার পর ২০২৪ সালের ৫ জুন কোটা সংস্কার আন্দোলন নতুন করে শুরু হয়। এই আন্দোলনকে তৎকালীন সরকার প্রতিহত করতে চাইলে ছাত্র আন্দোলন গণ-আন্দোলনে রুপ নেয় এবং ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট স্বৈরাচারী সরকার পদত্যাগ করতে বাধ্য হয়। অসংখ্য প্রাণের বিনিময়ে বাংলাদেশ নতুন করে স্বাধীন হয়। এটি ছিল অন্যায়-অত্যাচার, শোষণ-নিপীড়ন ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের নাগরিক অধিকার আদায়ের চেতনা মুখী এক রক্তক্ষয়ী আন্দোলন। দেশে গণতন্ত্র ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য এই আন্দোলনের চেতনা ও তাৎপর্য রক্ষা করা আবশ্যক। সেই লক্ষ্যে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীদের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের ভাবনা ও স্মৃতি তুলে ধরছি আমি মো. জাহিদ হাসান, শিক্ষার্থী, বাংলা বিভাগ, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া।

রক্তসিক্ত জুলাই: একটি নতুন বাংলাদেশের অপেক্ষায়

জুলাই গণ-অভ্যুত্থান বাংলাদেশের ইতিহাসে কেবল একটি আন্দোলনের নাম নয়; এটি এক নতুন যুগের সন্ধিক্ষণ। ন্যায়ের পথে অবিচল থেকে নাগরিক মর্যাদার প্রশ্নে মানুষের সম্মিলিতভাবে গর্জে ওঠার নামই জুলাই। বিশেষ করে, দেশের তরুণ প্রজন্মের অসীম সাহস এবং অকুতোভয় আত্মত্যাগ আমাদের শিখিয়েছে—শোষণের শিকল ভাঙার ক্ষমতা কেবল সংখ্যায় নয়, বরং আদর্শের গভীরতায় নিহিত। ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, যে জাতি তার সংগ্রামের রক্তসিক্ত স্মৃতিকে ধারণ করে, সেই জাতিই প্রকৃত আত্মমর্যাদায় বলীয়ান হয়। জুলাইয়ের এই অভিজ্ঞতা আমাদের বারংবার স্মরণ করিয়ে দেয়, মতাদর্শিক ভিন্নতা থাকা সত্ত্বেও দেশ, মাটি ও মানবিকতার প্রশ্নে ঐক্যবদ্ধ থাকাই একটি জাতির শ্রেষ্ঠ শক্তি। আমাদের মনে রাখতে হবে, বিপ্লব কেবল ক্ষমতার বদল নয়, বরং এটি চরিত্র ও মূল্যবোধের নবজাগরণের প্রতিশ্রুতি। জুলাইয়ের এই চেতনা যেন কোনো নির্দিষ্ট গণ্ডিতে আবদ্ধ না থাকে। এটি যেন বিভাজনের বিপরীতে সংলাপের সংস্কৃতি, জবাবদিহি এবং একটি বৈষম্যহীন রাষ্ট্রগঠনের নিরন্তর জ্বালানি হয়ে ওঠে। যখন আমাদের প্রতিটি কাজে—হোক তা শিক্ষা, কর্মক্ষেত্র, কিংবা সামাজিক দায়িত্ব পালন—এই জুলাইয়ের মূল্যবোধ প্রতিফলিত হবে, তখনই আমাদের এই ত্যাগ সার্থক হবে। জুলাইয়ের শিক্ষা কেবল ইতিহাসের কালিতে লেখা বইয়ের পাতা নয়, এটি আমাদের প্রতিদিনের চিন্তা, রাষ্ট্রগঠনের সংকল্প এবং আগামীর বাংলাদেশ গড়ার ইস্পাতকঠিন অঙ্গীকার। রক্তে পাওয়া এই নতুন বাংলাদেশে আমরা একটি দায়িত্বশীল, মানবিক ও সমৃদ্ধ ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখি—যেখানে জুলাইয়ের চেতনা অমর হয়ে থাকবে প্রতিটি নাগরিকের সত্তায়।

মো: সাইফুল হক 

শিক্ষার্থী, আরবী ভাষা ও সাহিত্য বিভাগ।

জুলাইয়ের জাগরণ: বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গঠনের প্রত্যাশা

২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলন আমার জীবনের সবচেয়ে স্মরণীয় ও তাৎপর্যপূর্ণ অধ্যায়গুলোর একটি। আমি কুষ্টিয়ায় আন্দোলনে সরাসরি অংশগ্রহণ করেছি এবং একই সঙ্গে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসেও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বিভিন্ন কর্মসূচিতে সক্রিয় ছিলাম। আন্দোলনের প্রতিটি দিন ছিল সাহস, ঐক্য, ত্যাগ ও দায়িত্ববোধের এক অনন্য অভিজ্ঞতা। দেশ, সমাজ এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সুন্দর ও ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্নই আমাদের আন্দোলনে অংশ নেওয়ার প্রধান অনুপ্রেরণা ছিল। প্রথমদিকে আন্দোলনের লক্ষ্য ছিল সরকারি চাকরিতে বৈষম্যমূলক কোটা ব্যবস্থার সংস্কার। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আন্দোলন আরও বৃহত্তর রূপ লাভ করে। আমরা এমন একটি রাষ্ট্রব্যবস্থা চেয়েছিলাম, যেখানে প্রতিটি নাগরিক সমান অধিকার, সমান সুযোগ এবং ন্যায়বিচার পাবে। দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি, বৈষম্য ও অন্যায়ের পরিবর্তে সততা, জবাবদিহি এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হবে—এটাই ছিল আমাদের মূল প্রত্যাশা। আন্দোলনের সময় আমরা অসংখ্য চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছি। ভয়, অনিশ্চয়তা এবং নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও শিক্ষার্থীরা একে অপরের পাশে থেকেছে। কুষ্টিয়ার রাজপথ থেকে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস—সবখানেই আমরা শান্তিপূর্ণভাবে আমাদের দাবি তুলে ধরেছি। অনেকেই আহত হয়েছেন, কেউ কেউ জীবনের সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করেছেন। তাঁদের আত্মত্যাগ আমাদের কাছে চিরস্মরণীয় এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে। আজ ফিরে তাকালে দেখা যায়, আন্দোলনের ফলে দেশের রাজনৈতিক বাস্তবতায় গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এসেছে এবং জনগণের মধ্যে অধিকার ও জবাবদিহি সম্পর্কে সচেতনতা অনেক বেড়েছে। তবে আমাদের সব প্রত্যাশা এখনো বাস্তবায়িত হয়নি। দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন, সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বিচারব্যবস্থা, কর্মসংস্থানের বিস্তার, শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং বৈষম্যহীন সমাজ গঠনের জন্য এখনও অনেক পথ অতিক্রম করতে হবে। আমার বিশ্বাস, জুলাই আন্দোলনের প্রকৃত সাফল্য তখনই অর্জিত হবে, যখন রাষ্ট্রের প্রতিটি ক্ষেত্রে ন্যায়, সমতা, মানবিক মূল্যবোধ ও সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হবে। আমি আশা করি, এই আন্দোলনের চেতনা ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সত্য, ন্যায় এবং দেশের কল্যাণে কাজ করার অনুপ্রেরণা জোগাবে। শহীদদের আত্মত্যাগ এবং লাখো মানুষের সংগ্রামের মর্যাদা রক্ষা করে আমরা সবাই মিলে একটি সমৃদ্ধ, গণতান্ত্রিক, মানবিক ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সক্ষম হব—এটাই আমার দৃঢ় প্রত্যাশা।

মাহমুদ হোসাইন

শিক্ষার্থী, বাংলা বিভাগ

জাগরণের জুলাই

জুলাই গণ-অভ্যুত্থান আমার কাছে সাহস, নাগরিক চেতনা এবং গণআকাঙ্ক্ষার এক শক্তিশালী প্রতীক। মানুষের অধিকার, মর্যাদা ও জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থার প্রত্যাশা যখন রাজপথে উচ্চারিত হয়, তখন ইতিহাস নতুন মোড় নেয়। এই আন্দোলনের সবচেয়ে বড় শিক্ষা হলো—জনগণের ঐক্য, সচেতনতা ও অংশগ্রহণ, যা গণতান্ত্রিক সমাজ গঠনের অন্যতম ভিত্তি। একই সঙ্গে এটি স্মরণ করিয়ে দেয়, মতভেদ থাকলেও সংলাপ, সহনশীলতা, আইনের শাসন এবং মানবিক মূল্যবোধ রক্ষা করেই টেকসই পরিবর্তন সম্ভব। যারা এই সময় সাহস, ত্যাগ ও দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিয়েছেন, তাঁদের অবদান শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণীয়। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের তাৎপর্য কেবল একটি সময়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; এটি ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে ন্যায়, স্বাধীনতা, দায়িত্ববোধ ও সক্রিয় নাগরিকত্বের চর্চায় অনুপ্রাণিত করার এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।

পাঁপড়ি রানী মোদক

শিক্ষার্থী, আল ফিকহ এন্ড ল বিভাগ।

রক্তের অক্ষরে নতুন বাংলাদেশের রূপরেখা

চব্বিশের জুলাইয়ের সেই দিনগুলো এখনো চোখে ভাসে—চারপাশের থমথমে বাতাস, কারফিউ আর বুলেটের শব্দের মাঝেও রাজপথে তরুণদের অনড় অবস্থান। প্রতিদিন শহীদদের রক্তে ভেজা খবর বুকে যে তীব্র ক্ষত সৃষ্টি করেছিল, তা কোনোদিন ভোলার নয়। কিন্তু সব ভীতি কাটিয়ে যখন লাখো মানুষের ঢেউ সারা দেশকে এক সুতোয় বেঁধে ফেললো, সেই অভূতপূর্ব একতা ও বিজয়ের স্মৃতি আজীবন অম্লান থাকবে। এই গণ-অভ্যুত্থান কেবল একটি স্বৈরাচারী ব্যবস্থার অবসান ঘটায়নি, বরং দীর্ঘদিনের স্তব্ধতা ও ভয়ের সংস্কৃতিকে চিরতরে ভেঙে দিয়েছে। এর সবচেয়ে বড় তাৎপর্য হলো—তরুণ প্রজন্ম প্রমাণ করেছে যে, চরম নিপীড়নের মুখেও মেধা, সাম্য ও ন্যায়ের দাবিতে ঐক্যবদ্ধ শক্তির জয় অবশ্যম্ভাবী। জুলাইয়ের এই রক্তস্নাত বিজয় আমাদের এক নতুন, বৈষম্যহীন ও আত্মমর্যাদাশীল বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখায়। রাষ্ট্র সংস্কারের এই ঐতিহাসিক সুযোগকে কাজে লাগিয়ে একটি ন্যায়ভিত্তিক সমাজ বিনির্মাণ করাই হোক আমাদের আগামী দিনের অঙ্গীকার।

আসফিয়া কানিজ ফাতেমা 

শিক্ষার্থী, হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট বিভাগ।

জুলাই আমাদের স্বাধীনভাবে বাঁচার শক্তি

২০২৪ সালের জুলাই মাসে কোটা সংস্কার আন্দোলনের মাধ্যমে সূচিত গণ-অভ্যুত্থান কোনো একক রাজনৈতিক ঘটনা ছিল না; বরং এটি ছিল মানুষের অধিকার, ন্যায়বিচার, সাম্য এবং মর্যাদাবোধ প্রতিষ্ঠার এক ঐতিহাসিক অধ্যায়। এই আন্দোলন দেখিয়েছে, জনগণের ঐক্যবদ্ধ শক্তি অন্যায় ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে দৃঢ় প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারে। আন্দোলনের শুরুতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ন্যায্য দাবিতে রাজপথে নেমেছিলেন। পরবর্তীতে সাধারণ মানুষও এতে সম্পৃক্ত হন। নিজের অধিকার আদায়ের জন্য অনেক শিক্ষার্থী সাহসিকতার সঙ্গে রাজপথে অবস্থান করেন। অনেক প্রাণ ঝরে যায়, অসংখ্য মানুষ আহত হন, আর তাঁদের আত্মত্যাগ জাতির ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। আমার কাছে জুলাইয়ের সবচেয়ে বড় শিক্ষা হলো, সচেতন ও দায়িত্বশীল তরুণ সমাজ একটি দেশের পরিবর্তনের গুরুত্বপূর্ণ শক্তি। এই গণ-অভ্যুত্থান আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয়, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, আইনের শাসন, জবাবদিহি এবং মানবিক মর্যাদা রক্ষা একটি ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্রের অপরিহার্য ভিত্তি। একই সঙ্গে নাগরিকদেরও দায়িত্ব শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক উপায়ে নিজেদের অধিকার আদায়ে সচেষ্ট থাকা। জুলাই আমাদের শিখিয়েছে, প্রকৃত উন্নয়ন শুধু অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে নয়; বরং ন্যায়, সমতা, সহনশীলতা ও জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণের মধ্যেই নিহিত। তাই জুলাইয়ের শিক্ষা হোক বিভেদ নয়, ঐক্য; প্রতিহিংসা নয়, ন্যায়বিচার; এবং একটি শান্তিপূর্ণ, গণতান্ত্রিক ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ার দৃঢ় অঙ্গীকার।

সাইফুদ্দীন সিদ্দীক 

শিক্ষার্থী, দাওয়াহ অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগ।

জুলাইয়ের অম্লান স্মৃতি 

জুলাই আন্দোলনের সূচনা হয়েছিল কোটাব্যবস্থা সংস্কারের দাবিকে কেন্দ্র করে। কিন্তু খুব অল্প সময়ের মধ্যেই তা শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের ন্যায়, সমতা ও অধিকারবোধের বৃহত্তর প্রকাশে পরিণত হয়। সেই সময় হঠাৎ করেই ক্যাম্পাস বন্ধ হয়ে যায়, আমরাও বাড়ি ফিরে যাই। আতঙ্ক, অনিশ্চয়তা আর উৎকণ্ঠার মধ্যে কেটেছে দিনগুলো। যোগাযোগব্যবস্থা ব্যাহত হয়ে পড়ায় স্বজনদের খবর নেওয়াও কঠিন হয়ে উঠেছিল। আন্দোলনের সময় সংঘর্ষ, টিয়ার শেল, গুলিবর্ষণ এবং হতাহতের খবর দেশের মানুষকে গভীরভাবে নাড়া দেয়। তবুও দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের একসঙ্গে রাজপথে দাঁড়িয়ে নিজেদের দাবি তুলে ধরা ছিল ঐক্য ও সাহসের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। এটি শুধু দেশ নয়, দেশ ছাড়িয়ে বিদেশেও এর প্রতিবাদ ঘটতে থাকে– আন্দোলনের অংশ হিসেবে প্রবাসীরা রেমিট্যান্স দেওয়া বন্ধ করে দিয়েছিল। এছাড়া সেসময় শিক্ষার্থী ছাড়াও নিরীহ মানুষ, ছোট বাচ্চা সহ অনেকের ওপর গুলি করা হয়; অনেক পরিবার প্রিয়জন হারানোর বেদনা বয়ে বেড়াচ্ছে আজও, যা জাতির স্মৃতিতে দীর্ঘদিন রয়ে যাবে। আমার কাছে জুলাইয়ের সবচেয়ে বড় তাৎপর্য হলো—ন্যায় ও অধিকারের প্রশ্নে সচেতন, ঐক্যবদ্ধ ও দায়িত্বশীল নাগরিক সমাজ গড়ে তোলার অনুপ্রেরণা।

ফাইজা আক্তার আলো 

শিক্ষার্থী, বাংলা বিভাগ।

মন্তব্য

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

আরও পড়ুন

নিকলীতে বিএনপি'র ৪৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের বর্ণাঢ্য র‍্যালী

নিকলীতে বিএনপি'র ৪৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের বর্ণাঢ্য র‍্যালী

কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি:বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি'র ৪৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে কিশো...

০১ September ২০২৬ · Tuesday · ১১:০৮ অপরাহ্ণ
নিকলীতে বিএনপি'র ৪৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের বর্ণাঢ্য র‍্যালী

নিকলীতে বিএনপি'র ৪৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের বর্ণাঢ্য র‍্যালী

নিকলী (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি:বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি'র ৪৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক...

০১ September ২০২৬ · Tuesday · ০১:২০ অপরাহ্ণ