বন্ধুর বিপদে উপকার করতে গিয়ে মবের শিকার হতে হয় তাহলে আমি বারবার মবের শিকার হতে রাজি-হিমেল
নিউজ ডেস্ক:
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের যুগ্ন আহবায়ক আমার বন্ধু অহিদুর রহমান নিক্সন তার ও স্ত্রীকে নিয়ে গতকাল সন্ধ্যা থেকে স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে র ইমারজেন্সিতে দৌড়াদৌড়ি করছে। তার স্ত্রীর গাইনি সমস্যায় '৬ ঘন্টা ধরে বিল্ডিং' হচ্ছিল। ডাক্তারদের অনুরোধ করলেও ওয়ার্ডে নিয়ে কোনো চিকিৎসা দিচ্ছে না। সেই একটি বেসরকারি কোম্পানিতে চাকুরী করে। পরে বাধ্য হয়ে আমাকে জানালে আমি সাথে সাথে ছুটে যায় সেখানে। তখন রাত ১ টা। আমি দায়িত্বরত চিকিৎসকদের অনুরোধ করলে তারা কোনো মানবিক দিক চিন্তা না করে আমার সঙ্গে বাজে ব্যবহার করে এবং ৩ ঘন্টা ধরে তাঁর স্ত্রীকে মেঝেতে শুয়ে রাখে। একপর্যায়ে আমি জবি ছাত্রদলের আহবায়ক পরিচয় দিয়ে ওয়ার্ডে নিয়ে চিকিৎসা দিতে অনুরোধ করলে তারা উত্তেজিত হয়ে আমার সঙ্গে দুর্ব্যহার করে। তখন আমি বলি পরিচালকের নম্বর দেন আমি তার সঙ্গে কথা বলব,' তখন তারা পরিচালকের নাম্বার না দিয়ে বলে আপনি ক্যান্টনমেন্টে যান তার নম্বর নিতে। ওই সময় আমার সঙ্গে থাকা কয়েকজন ছোট ভাই প্রতিবাদ করলে উভয় পক্ষ বাকবিতন্ডায় জড়িয়ে পড়ে। এরমধ্যে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে আমি উভয় পক্ষকে থামাতে গেলে তারা সঙ্ঘবদ্ধভাবে মব সৃষ্টি করে। এরপর হল থেকে শিক্ষার্থীদের মিথ্যা ব্যাখ্যা দিয়ে পুনরায় মভ সৃষ্টির চেষ্টা করে এবং তখন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এসে উভয় পক্ষকে বুঝিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে এসে।
এছাড়া সেখানে কোনো ঘটনা ঘটে নি। আমি যতদূর জানতে পেরেছি সেখানে হলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে গুপ্ত শিবিরের নেতাকর্মীরা ঘটনাকে ভিন্ন খাতে প্রভাবিত করে মেডিক্যাল শিক্ষার্থীদের হল থেকে নিয়ে এসে মভ করার চেষ্টা করে।
আমি একজন রাজনীতিবিদ হয়ে যদি দীর্ঘদিনের বন্ধু ও কারাবরণ করা রাজনৈতিক সহযোদ্ধার বিপদে উপকার করতে গিয়ে মভের শিকার হতে হয় তাহলে আমি বারবার মভের শিকার হতে রাজি।
মেহেদী হাসান হিমেল
আহবায়ক, জবি ছাত্রদল।