"ফেসবুকে বন্ধুত্ব?"
ফেসবুক একটি জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মানুষ যোগাযোগের জন্য এটি ব্যবহার করে। তবে ফেসবুকের বন্ধুত্ব সব সময় কি উপকারী?
কাজ বা টিউশনি খুঁজতে গিয়ে অনেকেই প্রতারণার শিকার হচ্ছেন। কেউ কেউ অপ্রীতিকর ও অশালীন প্রস্তাবেরও মুখোমুখি হচ্ছেন।
গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর উপজেলার এক শিক্ষার্থী জানান, অনার্স প্রথম বর্ষে ভর্তি হওয়ার পর তিনি চাকরি ও টিউশনি খোঁজার চেষ্টা করেন। এ সময় এক ব্যক্তি তাকে কয়েকটি টিউশনি দেওয়ার আশ্বাস দেন। পরে বিনিময়ে অশোভন একটি প্রস্তাব দিলে তিনি তাকে ব্লক করে দেন।
আরেকজন জানান, তিনি ফেসবুকে একটি প্রোফাইলে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠানোর পর সেটি গ্রহণ করা হয়। কিন্তু কোনো পরিচয় বা কথা না বলে তাকে অশ্লীল ছবি পাঠানো হয়।
প্রযুক্তি মানুষের উপকার ও যোগাযোগ সহজ করার জন্য তৈরি হয়েছে। কিন্তু কিছু অসাধু ব্যক্তির কারণে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম কখনো কখনো হয়রানি ও অশালীনতার মাধ্যম হয়ে উঠছে।
এ বিষয়ে একজন অভিভাবক বলেন, “সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের ক্ষেত্রে তরুণ-তরুণীদের আরও সতর্ক হওয়া উচিত। অপরিচিত কারও সঙ্গে ব্যক্তিগত তথ্য শেয়ার করা বা দ্রুত বিশ্বাস করা ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।”
বিশেষজ্ঞদের মতে, অনলাইনে বন্ধুত্ব করার আগে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির পরিচয় যাচাই করা জরুরি। কোনো সন্দেহজনক আচরণ বা অশোভন বার্তা পেলে দ্রুত তাকে ব্লক করা এবং প্রয়োজনে কর্তৃপক্ষকে জানানো উচিত।
সচেতন ও দায়িত্বশীল ব্যবহারই পারে একটি নিরাপদ ডিজিটাল সমাজ গড়ে তুলতে। তাই ফেসবুকে কাউকে বন্ধু বানানোর আগে তার সম্পর্কে ভালোভাবে জেনে নেওয়া এবং সতর্ক থাকা সবার দায়িত্ব।
লেখক:সায়মা আক্তার। কালিয়াকৈর, গাজীপুর।