মিঠামইনে ২৪ ঘন্টায় ২০ ঘন্টায় লোডশেডিং চলছে
বিজয় কর রতন,হাওর অঞ্চল প্রতিনিধি: মিঠামইন উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে গত ২৯ শে মে মঙ্গলবার ৬:৫০ থেকে ২০ শে মে বুধবার সন্ধ্যা ৬ টা পর্যন্ত ২৪ ঘন্টার মধ্যে ২০ ঘন্টায় লোডশেডিং হয়েছে। ২৪ ঘন্টার মধ্যে মোট ১২ বার বিদ্যুৎ আসা যাওয়া করছে বলে তথ্য প্রমাণ রয়েছে। ১৯ মে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬:৫০ থেকে ৮: ১০ পর্যন্ত বিদ্যুৎ ছিল না। ৮:১০ এ বিদ্যুৎ আসলে চলে যায় ৮ : ৩০ এ । পরবর্তীতে রাত ২ টা সময় বিদ্যুৎ আসে । ২: ৩৪ মিনিটে চলে যায়। পুনরায় ২০ শে মে বুধবার সকাল ১০:২৮ মিনিটে আসে এবং ১০ : ৪৩ মিনিটে চলে যায়। পুনরায় ১:১৭ মিনিটে বিদ্যুৎ আসে । ২:৩ পর্যন্ত বিদ্যুৎ থেকে আবার চলে যায়। পরে ৩:১০ আসে । ৩:১০ থেকে ৫ : ২২ পর্যন্ত বিদ্যুৎ ছিল। পরে ৫:২২ থেকে সন্ধ্যা ৭:০০ পর্যন্ত বিদ্যুৎ নেই। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত বিদ্যুৎ আসেনি ।
সর্বমোট ২৪ ঘন্টার মধ্যে ২০ ঘন্টা ১২ মিনিটেই লোডশেডিং ছিল। মিঠামইনের বিদ্যুৎ এর চিত্র। গ্ৰাহকরা এ গরমের চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছে। এদিকে প্রচন্ড গরমে পানিবাহিত রোগ সহ শিশুদের অনেক চর্ম রোগ দেখা দিয়েছে বলে বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে জানা যায়। বিদ্যুৎ এর লোডশেডিংয়ের কারণে উপজেলার বিভিন্ন দপ্তর ও ইউনিয়ন পরিষদের সেবা কার্যক্রমের ব্যাঘাত সৃষ্টি হচ্ছে। ইউনিয়ন পরিষদে জন্ম নিবন্ধন, জন্ম সনদ, ওয়ারিশেন সার্টিফিকেটের মতো পরিষদের সেবা মূলক কার্যক্রম বন্ধের পথে । সেবা গ্ৰহিতারা ভোগান্তির শিকার হচ্ছে। এ ব্যাপারে মিঠামইন পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার ( ডিজিএম) মোঃ ফাখরুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, মিঠামইনে ২১ মেগা ওয়াট বিদ্যুৎ বরাদ্দ রয়েছে কিন্তু বর্তমানে ৭ মেগা ওয়াট ( ১৩৮) এমপি বরাদ্দ পাওয়া যায়। এ ছাড়াও প্রায়ই কিশোরগঞ্জ থেকে মেইন লাইনে সম্যসার কারণে লোডশেডিংয়ের সৃষ্টি হয়। গত ২৪ ঘন্টায় লোডশেডিংয়ের কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, হটাৎ কিশোরগঞ্জ থেকে মেইন লাইনের সংযোগে সমস্যা দেখা দেয়। এর জন্য এত লোডশেডিং এর পূর্বে লোডশেডিংয়ের বিষয়ে বলেন, পর্যাপ্ত পরিমাণ চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ না থাকায় এ সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে।