উন্নয়ন, মানবসেবা ও তরুণ নেতৃত্বে ভরসার নাম জুবায়ের হোসেন সাদ্দাম
হোসেন আলী, বদরগঞ্জ রংপুর প্রতিনিধি: রংপুরের বদরগঞ্জ উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়নে নতুন প্রজন্মের নেতৃত্ব, মানবিক মূল্যবোধ এবং সমাজ উন্নয়নের প্রত্যয় নিয়ে আলোচনায় উঠে এসেছেন তরুণ চেয়ারম্যান প্রার্থী জুবায়ের হোসেন সাদ্দাম। সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানো, অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মুখে হাসি ফোটানো এবং একটি আধুনিক, মাদক ও দুর্নীতিমুক্ত ইউনিয়ন গঠনের লক্ষ্য নিয়েই তিনি কাজ করে যাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
বর্তমান সময়ের রাজনীতিতে যখন ব্যক্তিস্বার্থ ও ক্ষমতার দ্বন্দ্ব নিয়ে নানা আলোচনা-সমালোচনা রয়েছে, ঠিক সেই সময় মানবসেবাকে রাজনীতির মূল লক্ষ্য হিসেবে সামনে এনে মানুষের আস্থা অর্জনের চেষ্টা করছেন এই তরুণ সমাজসেবক। এলাকার বিভিন্ন সামাজিক, মানবিক ও উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণের কারণে সাধারণ মানুষের মধ্যেও তার জনপ্রিয়তা বাড়ছে বলে জানা গেছে।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, জুবায়ের হোসেন সাদ্দাম সবসময় সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখের খোঁজখবর রাখেন। কারো চিকিৎসার প্রয়োজন হলে সহযোগিতা করা, দরিদ্র পরিবারের পাশে দাঁড়ানো, শিক্ষার্থীদের উৎসাহ দেওয়া, বিভিন্ন সামাজিক উদ্যোগে অংশ নেওয়া এবং যুবসমাজকে ইতিবাচক কাজে সম্পৃক্ত করতে তিনি নিয়মিত কাজ করে যাচ্ছেন। বিশেষ করে এলাকার তরুণদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং মাদকবিরোধী কার্যক্রমে তার ভূমিকা প্রশংসিত হচ্ছে।
গোপালপুর ইউনিয়নের কয়েকজন বাসিন্দা জানান, একজন জনপ্রতিনিধির মধ্যে যেসব মানবিক গুণাবলি থাকা প্রয়োজন, তার অনেকগুলোই জুবায়ের হোসেন সাদ্দামের মধ্যে দেখা যায়। তিনি অহংকারহীনভাবে মানুষের সঙ্গে মিশে যান এবং যেকোনো সমস্যায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেন। এ কারণেই ইউনিয়নের তরুণ ও সাধারণ ভোটারদের একটি বড় অংশ তাকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন।
স্থানীয় এক প্রবীণ ব্যক্তি বলেন,
"বর্তমান সময়ে এমন মানুষ খুব কম দেখা যায়, যারা নিজের স্বার্থের আগে এলাকার মানুষের কথা চিন্তা করে। সাদ্দাম ছোটবেলা থেকেই মানুষের পাশে থাকে। চেয়ারম্যান হলে সে ইউনিয়নের উন্নয়নে ভালো ভূমিকা রাখতে পারবে বলে আমরা আশা করি।"
অন্যদিকে যুবসমাজের অনেকেই মনে করছেন, তরুণ নেতৃত্বের মাধ্যমে ইউনিয়নে নতুন ধরনের ইতিবাচক পরিবর্তন আসতে পারে। তারা বলেন, বর্তমান সময়ে তরুণদের কর্মসংস্থান, খেলাধুলা, সামাজিক সচেতনতা এবং মাদকমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। এসব বিষয়ে জুবায়ের হোসেন সাদ্দাম সবসময় সোচ্চার ভূমিকা পালন করে আসছেন।
নিজের লক্ষ্য ও পরিকল্পনা সম্পর্কে জুবায়ের হোসেন সাদ্দাম বলেন,
"আমি চেয়ারম্যান হতে চাই মানুষের ভালোবাসা ও দোয়া নিয়ে। জনপ্রতিনিধি হওয়ার মূল উদ্দেশ্য হলো মানুষের সেবা করা। গোপালপুর ইউনিয়নের প্রতিটি মানুষ যেন তাদের ন্যায্য অধিকার পায়, উন্নয়ন সুবিধা পায় এবং নিরাপদ পরিবেশে বসবাস করতে পারে, সেই লক্ষ্য নিয়েই আমি কাজ করতে চাই।"
তিনি আরও বলেন,
"আমি চাই একটি আধুনিক, পরিচ্ছন্ন, শিক্ষাবান্ধব ও মাদকমুক্ত ইউনিয়ন গড়ে তুলতে। যুবসমাজকে দক্ষ ও সচেতন করে তুলতে হবে। সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষের জন্য কাজ করতে হবে। ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডে সমান উন্নয়ন নিশ্চিত করার চেষ্টা থাকবে আমার।"
এছাড়াও তিনি ইউনিয়নের রাস্তাঘাট উন্নয়ন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মানোন্নয়ন, স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ বৃদ্ধি, কৃষকদের সহায়তা, বেকার যুবকদের কর্মমুখী প্রশিক্ষণ এবং ডিজিটাল সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার প্রতিশ্রুতির কথাও তুলে ধরেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমানে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় শিক্ষিত, মানবিক ও তরুণ নেতৃত্বের চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। সেই দিক থেকে জুবায়ের হোসেন সাদ্দাম নিজেকে একজন জনবান্ধব ও উন্নয়নমুখী প্রার্থী হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করছেন। তার সামাজিক সম্পৃক্ততা এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ ভবিষ্যতে নির্বাচনী মাঠে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে বলেও মনে করছেন অনেকে।
এদিকে গোপালপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে এখন চেয়ারম্যান নির্বাচনকে ঘিরে আলোচনা শুরু হয়েছে। স্থানীয়দের আশা, যে নেতৃত্ব মানুষের পাশে থাকবে, উন্নয়নের কথা বলবে এবং সাধারণ মানুষের অধিকার নিশ্চিত করতে কাজ করবে, জনগণ তাকেই বেছে নেবে।