বুধবার, ২৭ মে ২০২৬
সম্পাদকীয়

‘ নবগঠিত সরকার , নতুন প্রত্যাশা ’ শিক্ষার্থীদের ভাবনা

Admin ০৬ May ২০২৬ · Wednesday · ০১:১৪ অপরাহ্ণ
‘ নবগঠিত সরকার , নতুন প্রত্যাশা ’ শিক্ষার্থীদের ভাবনা
‘ নবগঠিত সরকার , নতুন প্রত্যাশা ’ শিক্ষার্থীদের ভাবনা

‎সরকার যায় সরকার আসে, সময়ের পরিক্রমায় ও সামাজিক বাস্তবতা অনুযায়ী দেশের জনগণ তথা জনমানুষের চাওয়া পাওয়ার পরিবর্তন ঘটে, পরিবর্তন ঘটে জনমানুষের রাজনৈতিক পথচলায়। দীর্ঘ ১৭ বছরের স্বৈরাচারের শাসনের পর গত আড়াই মাস পূর্বে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে যা এদেশের ইতিহাসের এক অন্যতম সংসদ নির্বাচন। স্বৈরাচারের পতনের পর এই নির্বাচন শুধু একটা নির্বাচন নয় বরং জনমানুষের প্রত্যাশার এক জোরালো কন্ঠস্বর হিসেবে কাজ করেছে। নব আশা-প্রত্যাশা বাস্তবায়ন এবং দেশকে নতুন করে গঠনের এক সুবিশাল দ্বারপ্রান্ত তৈরি হয়েছে। যার সূচনা হয়েছিল জুলাইয়ে ছাত্র সমাজের অভ্যুত্থানের মধ্যে দিয়ে, শত শত শিক্ষার্থী ও জনমানুষের আত্মত্যাগের বিনিময়ে। এজন্য এই নির্বাচন এদেশে ছাত্র সমাজ ও জনমানুষের আশা-প্রত্যাশা ও আবেগের অনন্য বহিঃপ্রকাশ হিসেবে কাজ করেছে। দেশকে পূণরায় ঢেলে দুর্নীতি ও প্রতিহিংসা মুক্ত উন্নত একটি স্বাধীন সার্বভৌম দেশ গঠনের সময় এসেছে। এরই ধারাবাহিকতায় নবগঠিত সরকারের কাছে বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশা ও ভাবনার কথা তুলে ধরেছেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মোছাঃ আহসানা হাবিবা অরনা।

‎শিক্ষা ও তরুণ প্রজন্মের উন্নয়ন চাই:

‎একটি দেশ ও জাতির প্রকৃত উন্নয়ন নির্ভর করে সেই দেশের দক্ষ শিক্ষা ব্যবস্থা, গবেষণা ও সৃজনশীল তরুণদের পদচারণায়। বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থার দিকে তাকালে মনে হয় শিক্ষার মূল উদ্দেশ্য ডিগ্রি এবং সার্টিফিকেট অর্জন করা। বলা বাহুল্য, আমাদের দেশে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোয় শেখানো হয় যেকোনো জিনিস (কম্পিউটার,মোবাইল ফোন, টেলিভিশন, ইন্টারনেট) কে আবিষ্কার করেছেন কত সালে আবিষ্কার করেছেন। যে শিক্ষা আমাদের বাস্তব জীবনে তেমন কোনো কাজে আসে না। কিন্তু যদি এমনটা শেখানো হতো এই জিনিসগুলো কিভাবে তৈরি করা হয়েছে তাহলে শিক্ষার্থীদের হাত ধরেই একটি সমৃদ্ধ সমাজের জন্ম হতো। বর্তমান সমাজ যেন গ্রিক দার্শনিক সক্রেটিসের সেই সমাজের দৃষ্টান্ত, তিনি বলেছিলেন, "এমন একটা সময় আসবে জ্ঞানীরা জ্ঞানী হওয়ার জন্য অনুশোচনা করবে, মূর্খরা তাদের মূর্খতার জন্য গর্ব করে বেড়াবে আর দুর্নীতিবাজরা তাদের দুর্নীতির জন্য উল্লাস করে বেড়াবে।" এই ভয়াবহ সমাজকে পুনরুদ্ধার করতে তরুণ প্রজন্মের  নৈতিক মূল্যবোধের আদলে সুপ্ত প্রতিভার বিকাশ এবং নতুন জ্ঞান সৃষ্টি করতে গবেষণাধর্মী শিক্ষা এবং সুস্থ পরিবেশ বিনির্মাণের মধ্য দিয়ে এই জনবহুল বাংলাদেশকে একটি জনশক্তির দেশে রূপান্তরিত করা সম্ভব। তাই আমাদের মেরুদন্ড শক্ত করতে শিক্ষা ও তরুণ প্রজন্মের সর্বাধিক বিকাশ নতুন সরকারের কাছে এখন সময়ের দাবি। 

‎মোছাঃ ইসমা খাতুন, 

‎শিক্ষার্থী, বাংলা বিভাগ,

‎ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া 

‎গ্রামাঞ্চলের বিদ্যুৎ সরবরাহের মানোন্নয়ন চাই:

‎বাংলাদেশ একটি উন্নয়নশীল দেশ। নানা প্রতিকূলতা ও সীমাবদ্ধতা অতিক্রম করে দেশটি নিজ গতিতে এগিয়ে চলছে। সাম্প্রতিক জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর নতুন সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করেছে। নতুন সরকারের কাছে আমাদের প্রত্যাশা দেশকে আরও উন্নয়নের উচ্চতায় পৌঁছে দেওয়া।তবে দুঃখজনক হলেও সত্য, দেশের বিভিন্ন সমস্যার মধ্যে গ্রামাঞ্চলের বিদ্যুৎ সরবরাহ একটি বড় সংকট হিসেবে রয়ে গেছে। বিশেষ করে গ্রীষ্মকাল এলেই এই সমস্যা ভয়াবহ আকার ধারণ করে। দিনে ৬–৭ ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ থাকে না, এমনকি রাতেও একই পরিস্থিতি বিরাজ করে। এর ফলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে সাধারণ মানুষ। কৃষকরা সঠিকভাবে সেচ দিতে না পেরে ভালো ফসল উৎপাদনে ব্যর্থ হচ্ছেন। ছোট ছোট শিশুরা গরমে অসুস্থ হয়ে পড়ছে, আর এসএসসি পরীক্ষার্থীরা পড়াশোনায় মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। আমরা দেখতে পাচ্ছি, দেশে জ্বালানি সংকট দিন দিন তীব্র হচ্ছে। অথচ সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, পর্যাপ্ত জ্বালানি মজুত রয়েছে। তাহলে প্রশ্ন থেকে যায় যদি জ্বালানি পর্যাপ্ত থাকে, তবে কেন এই দীর্ঘ লোডশেডিং? তাই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আমাদের জোর দাবি গ্রামাঞ্চলের বিদ্যুৎ সমস্যার দ্রুত সমাধান করা হোক। লোডশেডিং কমিয়ে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরি। নতুন সরকারের প্রতি আমাদের আন্তরিক প্রত্যাশা তারা বিদ্যুৎ খাতের উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দেবে এবং গ্রামবাসীকে এই দুর্ভোগ থেকে দ্রুত মুক্তি দেবে।

‎মো: জাহিদ হাসান 

‎শিক্ষার্থী, আরবী ভাষা ও সাহিত্য,

‎ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া।

‎দেশ হোক স্বজনপ্রীতি ও দূর্নীতি মুক্ত:

‎জ্ঞান হওয়ার পর থেকে আওয়ামী সরকার ছাড়া এই প্রথমবার আমি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (BNP)-এর সরকার বা নতুন কোনো সরকার দেখছি । জুলাই আন্দোলনে শেখ হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার প্রায় দুই বছর পর নতুন এই সরকার এসেছে। এই নতুন সরকারকে ঘিরে আমাদের অনেক আশা রয়েছে। নির্বাচনের আগে তারা যে প্রতিশ্রুতিগুলো দিয়েছিল, সেগুলো তারা যেন বাস্তবায়ন করে সেই প্রত্যাশা করি। যেহেতু এটি ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত সরকার, তাই প্রত্যাশা থাকবে-সব দল ও মতের মানুষের অধিকার নিশ্চিত হবে, সবাই সমান সুযোগ-সুবিধা পাবে, কোনো স্বজনপ্রীতি থাকবে না। ক্ষমতাসীন দলের ছাত্রসংগঠন যেন আগের মতো বাংলাদেশ ছাত্রলীগ হয়ে ওঠার চেষ্টা না করে সেই আশা করছি। সব চাকরির নিয়োগ যেন যোগ্যতার ভিত্তিতে হয়, দলীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে নয়। আমি যদি সরকারি দলের সমর্থকও হই, তবুও যেন অতিরিক্ত কোনো সুবিধা না পাই। রাজনীতি করলে এবং ক্ষমতায় থাকলে সমালোচনা সহ্য করার মানসিকতা থাকতে হবে। কেউ সরকার বা তার নেতা-কর্মীদের সমালোচনা করলে তাকে যেন কোনোভাবে হয়রানি না করা হয়। আমাদের প্রত্যাশা-নতুন সরকার দেশের কাঠামোগত উন্নয়ন করবে, শিক্ষাব্যবস্থা উন্নত ও সুচারু করবে, দেশের প্রতিটি সেক্টর থেকে দুর্নীতি দূর করবে এবং তরুণদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করবে।

‎উম্মে হাবিবা রওজা 

‎শিক্ষার্থী, পরিসংখ্যান ও উপাত্ত বিজ্ঞান বিভাগ,

‎ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া।

‎সম্পূর্ণ বিদ্যুতায়ন বাস্তবায়নে দীর্ঘমেয়াদি ব্যবস্থা গ্রহণ অপরিহার্য:

‎বর্তমানে বিদ্যুৎ সর্বক্ষেত্রেই দৈনন্দিন জীবনের অপরিহার্য অংশ।মোবাইল ফোন, ইন্টারনেট, টেলিভিশন সবই প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে বিদ্যুতের মাধ্যমে পরিচালিত হয় যা মানুষের মধ্যে দ্রুত যোগাযোগ সম্ভব করে। পাশাপাশি হাসপাতালে বিভিন্ন চিকিৎসা যন্ত্রাংশ চালাতে যেমন বিদ্যুৎ প্রয়োজন, কৃষিক্ষেত্রে  সেচ পাম্প ও আধুনিক কৃষিযন্ত্র চালাতেও বিদ্যুৎ ব্যবহৃত হয় । ফলে ফসল উৎপাদন থেকে অপারেশন থিয়েটার সবকিছুই মূলত বিদ্যুৎ এর নিরবিচ্ছিন্ন সংযোগ ছাড়া অচল। মূলত সকাল থেকে শুরু করে রাতে ঘুমোনোর আগ পর্যন্ত বিদ্যুৎ সকল ক্ষেত্রে দরকার। এটি ছাড়া শহর এবং গ্রাম কোনো স্থানেই এখন কোনো কাজ চলছে না এখনকার সময়ে। অথচ বিদ্যুৎ এখন বেশিরভাগ সময় থাকছে না। এতে জনজীবন বিপন্ন হচ্ছে নানান কাজে বাধাপ্রাপ্ত হয়ে। শিশুরা গরমে অতিষ্ঠ হয়ে যাচ্ছে। কিন্তু এই সমস্যা সমাধানের দীর্ঘমেয়াদি কোনো ব্যবস্থা আমাদের দেশে নেই। আমাদের দেশে গত দুই মাস হলো নতুন সরকার গঠিত হয়েছে। উক্ত সরকারের কাছে আমাদের প্রত্যাশা এই বহুল ব্যবহৃত বিদ্যুৎ যেন সঠিকভাবে সরবরাহ করা হয়। জেনারেটর বিদ্যুৎ, বায়োমাস বিদ্যুৎ, পারমাণবিক বিদ্যুৎ, সৌর বিদ্যুৎ প্রভৃতি উৎসে যেন শতভাগ বিদ্যুৎ নিশ্চিত হয়। বিদ্যুৎ এর সঠিক ব্যবহার এবং সরবরাহই  এদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও মানুষের জীবনমান উন্নত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

‎আফিয়া আলম 

‎শিক্ষার্থী, সমাজকল্যাণ বিভাগ,

‎ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া।

‎স্বাধীন চিন্তা ও সৃজনশীলতা চর্চার পরিবেশ তৈরি হোক:

‎নতুন সরকার গঠনের সঙ্গে সঙ্গে দেশের মানুষের মনে যেমন নতুন আশা জেগেছে তেমনি শিক্ষার্থী হিসেবে আমাদের মধ্যেও সৃষ্টি হয়েছে নানা প্রত্যাশা ও স্বপ্ন। তরুণ সমাজ সবসময়ই পরিবর্তনের অগ্রদূত। তাই আমরা আশা করি নতুন সরকার দেশের দীর্ঘদিনের সমস্যা দূর করে একটি ইনসাফভিত্তিক  রাষ্ট্র গঠনে কার্যকর ভূমিকা রাখবে। শিক্ষার্থীদের অন্যতম বড় প্রত্যাশা হলো জুলাই সনদের বাস্তবায়ন।  এই সনদের লক্ষ্য ও নীতিগুলো বাস্তবায়িত হলে জনগণের  অধিকার  সুদৃঢ় হবে, রাষ্ট্রের চালিকাশক্তির বন্ধ্যাত্ব থেকে মুক্তি পাবে।  এতে প্রশাসন ও রাজনীতিতে স্বচ্ছতা বাড়বে এবং জনগণের আস্থা বৃদ্ধি পাবে। এছাড়া অনেক শিক্ষার্থী মনে করে, দেশের অগ্রগতির পথে উপনিবেশিক মানসিকতা একটি বড় বাধা। নতুন সরকার এসব পুরোনো ধারা থেকে বেরিয়ে এসে  ইনসাফভিত্তিতে রাষ্ট্র পরিচালনা  করবে এটাই আমাদের প্রত্যাশা। এতে তরুণ প্রজন্মের অংশগ্রহণও বাড়বে। দেশের উন্নয়নের জন্য প্রয়োজন বাঙালির নিজস্ব চিন্তা ও আত্মপরিচয়ের বিকাশ।  মানসিক দাসত্ব থেকে মুক্ত হয়ে স্বাধীন চিন্তা ও সৃজনশীলতার পরিবেশ তৈরি করতে হবে। শিক্ষা ও সংস্কৃতির মাধ্যমে একটি সচেতন ও মানবিক সমাজ গড়ে তোলাই আমাদের প্রত্যাশা।

‎নাজমুল হাসান

‎শিক্ষার্থী, আরবি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগ,

‎ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া।

‎নতুন সরকার মানেই নতুন সম্ভাবনা:

‎একটি দেশের রাজনৈতিক পরিবর্তন মানে শুধু ক্ষমতার পালাবদল নয়, বরং মানুষের মনে নতুন স্বপ্ন ও আশার জন্ম  হওয়া। দুর্নীতি, অনিয়ম এবং ক্ষমতার অপব্যবহার দীর্ঘদিন ধরে মানুষের আস্থা নষ্ট করে এসেছে। তাই নতুন এই সরকারের প্রতি আমার প্রধান দাবি আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং প্রশাসনের প্রতিটি স্তরে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা। বিশেষ করে বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ড ও মবের সংস্কৃতি বন্ধ করা। দ্বিতীয়ত প্রান্তিক পর্যায়ের খেটে খাওয়া কৃষক শ্রমিকদের ভাগ্য পরিবর্তনে বিশেষ নজর দেয়া। ফজর থেকে এশার পর্যন্ত যে কৃষকের অক্লান্ত পরিশ্রমে মানুষের আহার জোটে তার ফসলের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা। তৃতীয়ত নতুন নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে দারিদ্র্য বিমোচন এবং মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা । পাশাপাশি শিক্ষা ও স্বাস্থ্যখাতে উন্নয়নের মাধ্যমে মানুষের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করা । একটি দেশের ভবিষ্যৎ নির্ভর করে তার শিক্ষিত ও সুস্থ জনগণের উপর। তাই মানসম্মত শিক্ষা এবং সহজলভ্য চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা নতুন এই সরকারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব হবে বলে মনে করছি।

‎নাসির বাবু

‎শিক্ষার্থী, পরিসংখ্যান ও উপাত্ত বিজ্ঞান বিভাগ

‎ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া 

‎লেখক-

‎মোছাঃ আহসানা হাবিবা অরনা।

‎বিভাগ: পরিসংখ্যান ও উপাত্ত বিজ্ঞান বিভাগ

‎শিক্ষার্থী, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া এবং 

‎দপ্তর সম্পাদক, বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরাম, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা।

‎মোবাইল:০১৬১৭৩৪৪৯৬৭

‎E-mail- ornaahsanahabiba13579@gmail.com

আফিয়া আলম 

মোছাঃ ইসমা খাতুন 

নাজমুল হাসান 

উম্মে হাবিবা রওজা 

নাসির বাবু 

মোঃ জাহিদ হাসান 

মোছাঃ আহসানা হাবিবা অরনা 

মন্তব্য

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

আরও পড়ুন

ঢাকার আশুলিয়ায় পশুর হাটে গরু বাঁধাকে কেন্দ্র করে দুই পাইকারের মারামারি, অসুস্থ হয়ে একজনের মৃত্যু

ঢাকার আশুলিয়ায় পশুর হাটে গরু বাঁধাকে কেন্দ্র করে দুই পাইকারের মারামারি, অসুস্থ হয়ে একজনের মৃত্যু

 ঢাকা জেলা প্রতিনিধি :(নারয়ন সরকার সবুজ) আশুলিয়ায় কোরবানীর পশুর হাটে গরু বাঁধাকে...

২৭ May ২০২৬ · Wednesday · ০৪:০৩ অপরাহ্ণ
পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে  ৭নং ওয়ার্ডের সকল স্তরের মানুষকে আন্তরিক শুভেচ্ছা অভিনন্দন জানিয়েছেন মো.কবির আহমদ

পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে ৭নং ওয়ার্ডের সকল স্তরের মানুষকে আন্তরিক শুভেচ্ছা অভিনন্দন জানিয়েছেন মো.কবির আহমদ

 মুরাদ মিয়া,তাহিরপুর,সুনামগঞ্জ।তাহিরপুর উপজেলার শ্রীপুর উত্তর ইউনিয়ন যুবদল নেতা মোঃ...

২৭ May ২০২৬ · Wednesday · ০৩:৩৭ অপরাহ্ণ