রোদে যেন প্রাণ এসেছে হাওরের কৃষকের, শুকাতে ব্যস্ত ভেজা পঁচা ধান
মোঃ শফিকুল ইসলাম ইটনা কিশোরগঞ্জ।
দুই সপ্তাহ পর রৌদ্রজ্বল সকাল পেয়েছে হাওরের কৃষক। এ যেনো প্রাণ ফিরে পাওয়া! বৃহৎ ক্ষতির মুখে হাওরবাসি কেটে আনা ভেজা পঁচা ধান শুকাতে মাঠ ঘাট রাস্তা স্কুল কলেজ ও প্রশাসনিক কার্যালয়গুলোর আঙ্গিনা সব জায়গাতে সকাল থেকেই ব্যস্ত সময় পার করছে
কৃষাণ কৃষাণীরা।
রাস্তা ঘাট স্কুল কলেজের মাঠ ও প্রশাসনিক কতৃপক্ষ তাদের অফিসের আঙ্গিনা উন্মুক্ত করে দিয়েছে হাওরের সকল কৃষকদের জন্য।
বলা যায়, স্কুল কলেজ কতৃপক্ষ, প্রশাসনিক কার্যালয়গুলোর কর্মকর্তারা কৃষকদের পাশে দাড়িয়েছে এ যেন, সহমর্মিতা প্রকাশের মেলবন্ধন।
ইটনা উপজেলার পরিষদ চত্বরের প্রশাসনিক ভবনের আঙ্গিনায় ভেজা পঁচা ও চারা গজানো ধান শুকাতে দেখা গেলো ইটনা সদরের মির্দাহাটি গ্রামের কৃষক মইজ উদ্দিন মিয়াকে, তিনি বলেন, 'সোনা রঙের ধান কেটে আনছিলাম, এই ধান ভিজে পঁচে কালো হয়ে গেছে, দুর্গন্ধে নাক চেপে ধরতে হয়, তবু্ও এইখানে (উপজেলা পরিষদ চত্বরে) আমাকে ধান শুকাইতে দিয়েছে। বড় আশা তো শেষ এই পঁচা ধান শুকিয়ে কোন রকম পরিবারের কিছুদিনের খাবার যদি সংরক্ষণ করা যায়।'
গতকাল ৪ মে (সোমবার) পর্যন্ত কিশোরগঞ্জ জেলায় ১০ হাজার হেক্টরের বেশি জমি পানির নিছে তলিয়ে গেছে বলে জানিয়েছে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।